ব্রাহ্মণবাড়িয়া নামাজের সময়সূচি ২০২৪

আপনার জেলা নির্বাচন করুন

আজ ২৬ ফেব্রুয়ারী, ২০২৪; সোমবার । আজকের নামাজের সময়সূচি দেখে নিন নিচের টেবিল থেকে । এটি করা হয়েছে ইসলামিক ফাউন্ডেশন এর প্রকাশ করা নামাজের স্থায়ী ক্যালেন্ডার এর সময়সূচী অনুসারে । নিচে ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার নামাজের সময়সূচি দেয়া আছে। আপনি ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার বাইরে হলে উপর থেকে আপনার জেলা নির্বাচন করুন ।

বুকমার্ক করে রাখতে Ctrl + D চাপুন

** রমজান এর সময়সূচী থেকে দেখে নিন আজকের সেহরি ও ইফতারের সময়সূচী

ধর্মীয় বই কিনতে ভিজিট করুন https://kivabe.com/shop/ | বঙ্গানুবাদ খোৎবাতুল আহকাম (৬০ খোৎবা) | বারো চাঁদের খুতবা

আজকের নামাজের সময়সূচি - ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা

ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার ২০২৪ সালের নামাজের ক্যালেন্ডার

আমরা ইসলামিক ফাউন্ডেশন এর নামায ও রোযার স্থায়ী সময়সূচী মোতাবেক প্রতি জেলার ২০২৪ সালের নামাজের ক্যালেন্ডার আপডেট করেছি । যাতে সহজেই আপনি আপনার নিজ এলাকার প্রতিদিন এর পাচ ওয়াক্ত নামায ও সেহরী ইফতার এর সময়সূচী পেয়ে যান সহজেই ।

ফেব্রুয়ারী মাসের ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার নামাজের ক্যালেন্ডার

তারিখ - বার সাহরীর
শেষ সময়
ফজরের ওয়াক্ত
শুরু
সুর্যোদয় যোহরআছরমাগরীব ও ইফতারের
সময়
এশা
২৯ -- বৃহস্পতি ৪:৫৮ am ৫:০৩ am ৬:১৭ am ১২:১১ pm ৪:১৯ pm ৬:০১ pm ৭:১৪ pm

১২ মাসের নামায ক্যালেন্ডার দেখুন

দেখে নিন ১২ মাসের নামায ক্যালেন্ডার

উপরের পাচ ওয়াক্ত নামাজে এবং সেহেরি ও ইফতারের সময়সূচি -র তথ্যগুলো সংগ্রহ করা হয়েছে ইসলামিক ফাউন্ডেশন এর প্রকাশ করা নামাজের স্থায়ী সময়সূচী থেকে। চাইলে সেটিও দেখে নিতে পারেন এই লিংক থেকে

ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার পাচ ওয়াক্ত নামাজের সাথে সেহেরি এবং ইফতারের সময়সূচির সময়ের পার্থক্য উপরের টেবিলে অটো যোগ হয়ে গেছে ।

রমজান মাসের সেহেরি ও ইফতারের সময়সূচী

শুধু মাত্র রমজান মাসের জন্য আমাদের সেহেরি ও ইফতারের সময়সূচি তৈরি করা আছে যা ইসলামিক ফাউন্ডেশন এর প্রকাশ করা সেহেরি ও ইফতারের সময়সূচি মোতাবেক তৈরি করা । এবং সেটিও জেলা ভিত্তক । দেখে নিন জেলা ভিত্তিক সেহেরি ও ইফতারের সময়সূচী

ইসলামিক ফাউন্ডেশন এর নামাজের সময়সূচী-র নোট

যেহেতু আমরা ইসলামিক ফাউন্ডেশন, বাংলাদেশ এর প্রকাশ করা নামাজের স্থায়ী সময়সূচী থেকে উপরের সময়সূচী টি তৈরি করেছি, তাই তাদের দেয়া নোট গুলোও এখানে দিয়ে দেয়া হলো ।

ক) অন্যান্য জেলার ক্ষেত্রে ঢাকার সময়ের সাথে যোগ বিয়োগের মাধ্যমে সেহরী, সুর্যোদয়, মধ্যাহ্ন, আছর ও মাগরিবের সময় নির্ধারণ করা গেলেও কিছু কিছু ক্ষেত্রে যোগ বিয়োগের পরিমাণ কিছুটা কম-বেশী হতে পারে। বিশেষ করে উত্তরবঙ্গের আছরের সময় ঢাকার সময় থেকে যোগের পরিবর্তে বিয়োগ করতে হতে পারে। (বিস্তারিত জানার জন্য ইসলামিক ফাউন্ডেশন কর্তৃক প্রকাশিত বিভাগওয়ারী “নামাযের স্থায়ী সময়সূচী” পুস্তকটি দেখা যেতে পারে।

খ) মধ্যাহ্ন বলিতে সূর্য ঠিক মধ্য আকাশে বুঝাইবে। এই অবস্থার স্থায়িত্ব ৩(তিন) মিনিটের বেশী নয়। তবে সতর্কতা হিসেবে যোহরের জন্য লিখিত সময়ের ৬ মিনিট আগে থেকে নামায পড়বেন না।

গ) এই সময়সূচীতে ফজর, যোহর ও মাগরিবের নামাযের প্রকৃত সময়ের সাথে সতর্কতামূলক ব্যবস্থা হিসেবে ৩ (তিন) মিনিট যোগ করা হয়েছে। এই কারণে সাহরীর শেষ সময় প্রকৃত সময়ের কমপক্ষে তিন মিনিট পূর্বে এবং ফজর নামাযের সময় সুবহে সাদিকের তিন মিনিট পর নির্ধারণ করা হয়েছে।

ঘ) ইসলামী শরীয়তে তিন সময়ে নামায পড়া নিষিদ্ধ ঘোষিত হয়েছে। প্রথমতঃ সূর্যোদয়ের জন্য উপরোল্লিখিত সময় থেকে ২৪ মিনিট পর্যন্ত, দ্বিতীয়তঃ যোহরের জন্য উপরোল্লিখিত সময়ের ৬ মিনিট আগ থেকে ৬ মিনিট ব্যাপী, তৃতীয়তঃ সূর্যাস্তের পূর্বে ২৪ মিনিট । (তবে কোন কারণে ঐদিনের আছরের নামায সময়মত আদায় করা না গেলে উক্ত সময়ের মধ্যে হলেও পড়তে হবে)।